আজ ১লা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

স্মৃতি অম্লান-সুলেখা আক্তার শান্তা

ডেস্ক:

ভোররে শীতল হাওয়া বইছ।ে চোখে মুখে তার পরশ, বশে ভালো লাগছে আমার। আকাশ লাল করে র্সূয উঠছ।ে চারদিকিে মনোরম পরবিশে। লোকজনরে তমেন একটা সমাগম নইে। আমার ছোট্ট শখরে বাগানে কাজে লগেে পড়।ি কয়কেটা গাছে ফুল ফুটছে।ে মৃদু বাতাসে দুলে দুলে তারা যনে ইশায়া আমায় ডাকছ।ে কয়কেটা ফুল তুলে পড়ার টবেলিে সাজযি়ে রাখ।ি পড়া শষে হল,ে নজিরে কছিু কাজ সরেে রওনা দইে স্কুল।ে আমি ক্লাস সক্সিে পড়।ি শশৈবরে আঙনিায় তখন কশৈোররে উঁকঝিুঁক।ি স্কুলে সহপাঠীদরে মধ্যে কউে বন্ধু বা প্রাণরে সখা হবে এমন চতেনা জাগনে।ি রতিা আমার সঙ্গে নজিে থকেইে ভাব জমায়। কয়কেদনিইে আমরা বশে অন্তরঙ্গ হয়ে উঠ।ি শশৈবরে নঃিসঙ্গতায় কমেন যনে এক র্পূণতা আস।ে আমাদরে বাড়ি থকেে স্কুল প্রায় তনি মাইল দূর। তার মাঝ পথে রতিাদরে বাড়।ি রতিা সঙ্গে ওর এক ফুপু আসমাও স্কুলে আস,ে সে ক্লাস নাইনে পড়।ে সে আমাদরে দু’জনকে খুবই স্নহে কর।ে অনকে উৎসাহ নযি়ে আমরা ক্লাস কর।ি কছিুদনি যতেইে রতিার স্কুলে আসা অনযি়মতি হয়। রতিাকে জজ্ঞিসে করলে বল,ে আমার স্কুলে যতেে ভালো লাগনো। ওর এই কথায় আমার মন খুব খারাপ হয়। মনরে কথা প্রকাশরে মত ভাষার গঠন তরৈি তখন হয়ন।ি রতিার অনুপস্থতিরি বদেনা মনইে লুকযি়ে রাখি ওকে বলতে পারি না। একসাথে যাওয়া আসার নত্যি সঙ্গী রতিা আমার স্কুল জীবনরে আনন্দকে র্পূণ করছেলি। তারপরও আমি চাই রতিা স্কুলে নযি়মতি আসুক। রতিা আমার অনুরোধে মাঝে মাঝে স্কুলে না এসে পারনো। এর মাঝইে রতিার বযি়ে ঠকি হয়। এখানইে সমাপ্তি ঘটে রতিার স্কুল জীবন। এমন আকস্মকি অভজ্ঞিতায় হতবহ্বিল হয়ে পড়।ি কন্তিু আমি রতিার মায়া ছাড়তে পারি না। বযি়ে হলওে রতিা বাবার বাড়তিইে থাক,ে মাঝে মাঝে শ্বশুর বাড়ি যায়। একদকিে ও ছোট আরকেদকিে ওর বাবার বাড়রি প্রতি টান। ওর নযি়মতি শ্বশুরবাড়ি থাকা হয়না। রতিাদরে বাড়ীতে অনকে ফুল গাছ। রতিা আমার অনুভূতি বোঝ,ে ফুল আমি ভীষণ পছন্দ কর।ি রতিা নজিে থকেইে আমাকে ফুল তুলে দযে়। ও এমন আমাকে প্রায়ই ফুল তুলে দতি।

রতিাদরে বাড়ি থকেে আমাদরে বাড়রি যাবার পথে একদনি দখেি একটি ছলেে দাঁড়যি়ে আছ।ে দখেতে ভীষণ সুন্দর। মনে তখনও প্রমেরে অনুভূতে দোলা সৃষ্টি না হলওে সুন্দর-অসুন্দররে র্পাথক্য বুঝ।ি
ছলেটেি আমাকে বল,ে তোমার ফুলগুলো আমাকে দবি?ে তার মুখে ছলি চোখে পড়ার মতো অর্পূব হাস।ি
আমার সহজ উত্তর, না, আমি ফুল দবি না।
একটা ফুল অন্ততপক্ষে আমাকে দাও।
আমার একই কথা না, দবে না। মনে তমেন ভয় না লাগলওে এটুকু বুঝতে পারি এখান থকেে তাড়াতাড়ি চলে যাওয়া ভালো। সে আমার নাম জজ্ঞিাস করনে,ি আমওি আর কোন কথা বলার অবকাশ পায়ন।ি এরপর দ্রুতপায়ে বাড়ি চলে আস।ি কন্তিু আমার চোখে ভাসতে থাকে ছলেটেরি হাস।ি পরদনি দখেি ছলেটেি যখোনইে দাঁড়যি়ে আছ।ে এক অজানা আর্কষণে সদেকিে তাকাই। দু’দনি এভাবে কাট।ে কয়কেদনি পর আমি রতিাদরে বাড়ি থকেে ফুল নযি়ে ফরিছলিাম। ছলেটেি দখেি সখোনইে দাঁড়যি়।ে আমার হাতে ফুল দখেে বল,ে আজ আমাকে ফুল দবিে না।
আমি মাথা নডে়ে না বল,ে পথ চল।ি আমি পছিন ফরিে দখেি ছলেটেি হাসি মাখা মুখে আমার গমন পথরে দকিে অপলক দৃষ্টতিে তাকযি়ে আছ।ে
রতিার পরে ক্লাসে আমার বশে কয়কেজন বান্ধবী হয়। রোকসানা, মন,ি র্নাগসি, রমিা, ফাহমিা, সোনালী। ক্লাসে অন্যদরে চযে়ে আমি চুপচাপ থাকায় শক্ষিকরা আমাকে বশে স্নহে করনে। হঠাৎ আমাদরে ক্লাসে বলিকসিরে আগমন ঘট।ে ক্লাস চলার তনি মাসরে মাথায়। বলিকসি খুব সুন্দরী। আমাদরে সহপাঠীদরে চযে়ে বলিকসিরে বয়স একটু বশে।ি তার পোশাক-আশাক বশে আর্কষণীয়। স্কুল ড্রসে পড়ে না এলওে সে ক্লাসে নযি়মতি ছলি। বলিকসি নজিে থকেইে আমার সঙ্গে আলাপ কর।ে ক্লাসে আমাকে ছাড়া ও কার সঙ্গে বসে না। বল,ে শখিা তুমি আমাকে ছাড়া অন্যদেরে সঙ্গে বসবে না। বসলওে সখোন থকেে তুলে নযি়ে আস।ে এমন জোর করে বন্ধুত্ব আমি বশে উপভোগ কর।ি
বলিকসি বল,ে শখিা তোমাকে আমি দুটো গান লখিে দবেো। গানরে সুর আর কথা তখন র্অথর্পূণ হতে শুরু করছেে মন।ে আমি উৎসাহ নযি়ে বল,ি তুমি আমাকে গান লখিে দবে?ে ও আমাকে দুটো গান লখিে দযে়। একটি ‘জীবন ও আঁধারে পযে়ছেি তোমার’ে আরকেটি ‘তুমি আমায় কত চনো সকেি জানোনা’। বলিকসি আমার গালে টোকা দযি়ে বল,ে নাও এবার খুশি তো? আমি মাথা নডে়,ে হ্যাঁ বল।ি অহদি ক্লাসরে মধ্যে ছলি বশে চঞ্চল। কন্তিু আমি ছলিাম নরিব গম্ভীর টাইপরে। অহদি আমাকে হাসানোর জন্য বশে চষ্টো করতো। অহদি স্কুল ছুটি হওয়ার পর আমার জন্য অপক্ষো কর।ে র্নাগসি, রমিা, সোনালী, অহদিরে সঙ্গে খুব দুষ্টামি কর।ে আর অহদি চায় আমি যনে ওর সাথে কথা বল,ি দুষ্টামি কর।ি অহদি হসেে হসেে কথা বলা বশে উপভোগ্য ছলি। ও স্কুল থকেে ফরোর পথে খুব দুষ্টুমি করত। বাড়তিে ফরোর পথে একসঙ্গে বাস স্ট্যান্ড র্পযন্ত আস।ি ওইখান থকেে ভাগ হয়ে যে যার বাড়রি উদ্দশ্যেে রওনা দইে।
ক্লাস সভেনেে আমি অন্য স্কুলে র্ভতি হই। জীবনে শুরু হয় আরকে র্পব। পুরনো সহপাঠীদরে সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়না। জাননিা এখন কে কোথায় আছ,ে কমেন আছ।ে স্কুল সহপাঠীদরে ভীষণ ভীষণ মনে পড়,ে হয়তো আর দখো হবে না। এমনও হতে পারে কারো সঙ্গে হয়তো দখো হয়ছে,ে কন্তিু কউে কাউকে চনিতে পারনি।ি আর আমওি জাননিা তোমাদরে আমার কথা মনে আছে কনিা। সইে ছোটবলোর সাথীদরে এখনো খুব মনে পড়।ে যখোনইে থাকো তোমরা ভালো থকেো। তোমরা আমার স্মৃতরি মণকিোঠায় অম্লান হয়ে আছো।

Comments are closed.

     এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ