আজ ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গবন্ধুসহ ৩১জনের নামে কোরবানী করেন বিসিবি পরিচালক সৈয়দ টিটু 

 

প্রতিদিন সংবাদ ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযুদ্ধা যুবক কমান্ড ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম হটলাইনের উদ্যোগ শহরের প্রাণকেন্দ্রে ৭টি গরু কোরবানি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান , শেখ হাসিনা ও জাতীয় চারনেতা সহ ৩১ জনের নামে। এবং বিতরণ করা হয় ১০০০ হাজার পরিবারের মধ্যে যারা কোরবানি করতে পারেননি।

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, ১৫ আগস্টের কালো রাতে নিহত সকল শহীদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ মোট ৩১ জনের নামে গরু কোরবানি দিয়েছেন বিসিবি পরিচালক ও কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ডের আহবায়ক এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু।

 

বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা ও প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করে ২২জুলাই বিকাল তিনটায় বিভিন্ন স্থানে কোরবানির করাহয়।বৃহস্পতিবার  দুপুরে মরহুম সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম হটলাইন ব্রিগেডের ব্যানারে জেলা শহরের খরমপট্টি, গাইটাল, গুরুদয়াল কলেজ, উচ্চ বালিকা স্কুল, নগুয়া, সতাল এবং শোলাকিয়াতে ৭টি গরু জবাই করে সব মাংস অসহায় মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেন তিনি। শুধু তাই নয়, মসলা কেনার জন্যও নগদ অর্থ এবং মাস্ক বিতরণ করেন তিনি।

 

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ আফজল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এমদাদুল হক বুলবুল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক নূর আজিজ খান বাবু,শেখ ফরিদ,  আওয়ামী নেতা মনিরুজ্জামান, মীর আব্দুল করিম, ইছামদ্দিন, হাসান মমিন উজ্জ্বল, শেখ মোহাম্মদ রতন মিয়া, জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, যুবলীগ নেতা মাহমুদুর রহমান স্বরমিন, মাসুদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ.কে শিবলী, ছাত্রলীগ নেতা কাজী সোলায়মান আবেদীন, সারোয়ার জাহান রিজন, মেহেদী হাসান তুষার, আজিজুল ইসলাম আজিজসহ আওয়ামী লীগ, যুব লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তরুণ নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কোরবানির গোশত পৌঁছে দিচ্ছেন। কোরবানির গোশত পেয়ে এক বৃদ্ধা বলেন, ‘আমার স্বামী নেই। সন্তানরা থেকেও আমার খোঁজ খবর নেয় না। ঈদে কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পাই, তা দিয়েই কোনো মতে জীবন চলছে। ভাবছিলাম করোনার জন্য এ বছর হয়তো কোনো মাংস খেতে পারবো না। কিন্তু টিটু বাপজান আমারে গরুর গোশত দিছে। এতে খুব খুশি হইছি।’

বিসিবি পরিচালক ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু বলেন, অনেক গরীব, দুস্থ ও মধ্যবিত্তরা কোরবানি দিতে পারেন না। তারা কারও কাছে মাংস চাইতেও পারেন না। অসহায় মানুষ যেন কোরবানির মাংস খেতে পারেন এজন্য ৭টি স্থানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, ১৫ আগস্টের কালো রাতে নিহত সকল শহীদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ মোট ৩১ জনের নামে কোরবানি দেয়া। আশা করছি এক হাজার মানুষ কোরবানির মাংস খেতে পারবে।

 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২০ হাজার অসহায় মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন দেশের মানুষকে রক্ষা করতে। আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি তারা চেষ্টা করছি করোনার হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে। কিশোরগঞ্জের সকল নেতাকর্মীদের আহবান জানাই এ দুর্যোগকালে মানুষের পাশে থাকুন।

সৈয়দ টিটু আরও বলেন, আমি জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ করবো আপনারাও আসুন,  জনগণের পাশে থাকুন, জনগণ আপনাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।

 

 

Comments are closed.

     এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ