আজ ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কিশোরগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে বন্ধু খুন

 

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জে মোবাইল ফোন ফেরৎ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে জয় (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে শহরের হারুয়া এলাকার কলেজ-ফিসারি লিংক রোডে ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত জয় শহরের হারুয়া মানিক ফকির গলির জয়নাল আবেদীনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তের নাম ফাহিম (২০)। সে একই গলির বকুল ওরফে আদম বেপারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার (২ আগস্ট) কলেজ মোড়ে ফাহিমের মোবাইল ফোনটি তার কাছ থেকে জয় নিয়ে যায়। পরে ফাহিম তার মোবাইলটি চাইলে জয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ পরিস্থিতিতে ফাহিম জয়ের পিতা জয়নাল আবেদীনকে বিষয়টি জানায়। তখন জয়নাল আবেদীন ছেলের কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে ফাহিমকে দিবেন বলে আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকালে ফাহিম তার মোবাইলটি আনার জন্য জয়দের বাসায় গেলেও জয় মোবাইলটি ফেরৎ দেয়নি। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কলেজ-ফিসারি লিংক রোডে জয়কে পেয়ে ফাহিম তার মোবাইলটি আবারো ফেরৎ চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফাহিম তার সাথে থাকা ছোরা দিয়ে জয়ের পেট ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে জয়ের পেটের ভুরি বের হয়ে যায় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় সে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে।

পথচারী ও স্থানীয়রা জয়কে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. আবুবকর সিদ্দিক পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এলাকায় পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাহিমকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।

কিশোরগঞ্জে মোবাইল ফোন ফেরৎ দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে জয় (১৬) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে শহরের হারুয়া এলাকার কলেজ-ফিসারি লিংক রোডে ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত জয় শহরের হারুয়া মানিক ফকির গলির জয়নাল আবেদীনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তের নাম ফাহিম (২০)। সে একই গলির বকুল ওরফে আদম বেপারীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার (২ আগস্ট) কলেজ মোড়ে ফাহিমের মোবাইল ফোনটি তার কাছ থেকে জয় নিয়ে যায়। পরে ফাহিম তার মোবাইলটি চাইলে জয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ পরিস্থিতিতে ফাহিম জয়ের পিতা জয়নাল আবেদীনকে বিষয়টি জানায়। তখন জয়নাল আবেদীন ছেলের কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে ফাহিমকে দিবেন বলে আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকালে ফাহিম তার মোবাইলটি আনার জন্য জয়দের বাসায় গেলেও জয় মোবাইলটি ফেরৎ দেয়নি। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কলেজ-ফিসারি লিংক রোডে জয়কে পেয়ে ফাহিম তার মোবাইলটি আবারো ফেরৎ চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফাহিম তার সাথে থাকা ছোরা দিয়ে জয়ের পেট ও হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে জয়ের পেটের ভুরি বের হয়ে যায় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় সে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়ে। পথচারী ও স্থানীয়রা জয়কে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. আবুবকর সিদ্দিক পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এলাকায় পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাহিমকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।

 

Comments are closed.

     এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ