আজ ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

করিমগঞ্জের শিখন কেন্দ্রের শিক্ষিকাদেরকে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের ফেয়ার ওয়ালর্ড অব বাংলাদেশ এর আওতায় উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিখন কেন্দ্রের উর্ধ্বতন ও নির্বাচিত ৭০ জন শিক্ষকদেরকে কুচুক্রী মহলের দ্বারা প্রশ্নবিদ্দ
মোবাইল ও শ্ব শরীরে হুমকি এবং নানাভাবে হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে। শনিবার সকালে উপজেলার জাফরাবাদে এসব শিক্ষিকারা সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিকারের দাবী জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত
বক্তব্য পাঠ করেন শিক্ষক কমিটির আহবায়ক মুর্শিদা। তিনি বলেন, আমি নেয়ামতপুর বারঘরিয়া ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছি। আমাদের করিমগঞ্জ উপজেলায় ফেয়ার ওয়ালর্ড অব বাংলাদেশ এর আওতায় উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিখন কেন্দ্রের ৭০
জন শিক্ষক ৮-১৪ বছরের ঝড়েপড়া শিক্ষার্থীদেরকে আন্তরিকতার সহিত
পাঠদান কার্যকত্রম পরিচালনা করে আসছেন। ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্ত্বাবধানে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্র শিক্ষক হিসেবে প্রশংসনীয়ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তারা। কিন্ত বর্তমান লিড
(পপি) এর মনিটরিং গ্রুপের কর্মকর্তাদের অপ্রত্যাশিত আচরণে আমাদের সম্মানজনকভাবে চাকুরী করা অসম্ভব হয়ে ওঠেছে। লিডনামধারী ভিজিটরদের আচরণে চোর পুলিশের সম্পর্ক স্মরণ করিয়ে দেয়। কথায় কথায় ধমক,শরীরে হাত দিয়ে গুতা দেওয়া, অসামাজিচক আচরণ, মিথ্যাবলাতে চেষ্টা করা, অসময়ে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক বিষয়
জানার উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে বিরক্ত এবং আমাদের বিভিন্ন বানোয়াট সমস্যা উল্লেখ করে কত টাকা দিয়ে চাকুরী নিয়েছেন না দিয়ে থাকলে আমাদের খরচের টাকা দিবেন না হলে চাকুরী থাকবে না মর্মে হুমকি দেন। তিনি আরও বলেন, গত ১২ এপ্রিল স্কুল চলাকালীন সময়ে আমাদের কাদির জঙ্গলের শিক্ষিকা শিরিণা আক্তারের দাদী মারা গেলে অন্য একজনকে দায়িত্ব দিয়ে তিনি দাদির বাড়ি চলে যান। এমন সময়ে লিড প্রতিনিধি বদিউজ্জামান, জগদীশ তাকে বড়ির অন্যলোকজনকে দিয়ে খবর দেন স্কুলে আসতে। ওই শিক্ষিকা মরা বাড়ি থেকে পুনরায় স্কুলে আসেন। তাদের না পেয়ে শিক্ষিকা আবার মরা বাড়িতে চলে যান। এর কিছুক্ষন পর আবার তারা পরিদর্শনের নামে ওই শিক্ষিকার বাড়িতে যান
এবং শিক্ষিকাকে আসতে বাধ্য করা হলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। লীড নামধারী কর্মকর্তা বদিউজ্জামান, জগদীশ ও খলিলুর রহমানদের চক্রান্তে কয়েকটি উপজেলায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার জন সাধারণ। এ বিষয়ে এর আগেও আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা পায়নি। তারা শুধু ফেয়ার ওয়ালর্ড এর শত্রæ নয়্ উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমেরও শত্রু, এরা চক্রান্তকারী অর্থাৎ দেশের শত্রু। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ফিল্ড সুপার ভাইজার পান্না আক্তার,মনি আক্তার, শিক্ষিকা শিরিন আক্তার, নওরীন সুলতানা উষা,শাপলা আক্তার প্রমুখ।
অভিযুক্ত লীড প্রতিনিধিদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তবে ফেয়ার ওয়ালর্ড অব বাংলাদেশ এর প্রধান নির্বাহী আ.সালাম শিকদার এর সাথে
যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,মনিটরিং শুধু তারা নয় আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। লীড প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম হলো মাইক্রোক্রেডিট। কিন্ত শিক্ষিকাদের উপড় হেন্ডিং করা ঠিক না শিক্ষিকাদেরকে হয়রানীর কাজটি খুবই ন্যক্কার জনক। ফারুকুজ্জামান,কিশোরগঞ্জ

Comments are closed.

     এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ