Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the insert-headers-and-footers domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/pratidinsangbad2/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন – Pratidin Sangbad

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৬২ কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্য প্রার্থী শায়খুল হাদিস মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী দলীয় প্রতীক পেয়েই কিশোরগঞ্জের সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার কাজ শুরু  করেছেন।
২১ জানুয়ারি ২০২৬, বুধবার, বিকেলে কিশোরগঞ্জ শহরের স্টেশন রোডস্থ হোটেল শেরাটনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ প্রচারণা শুরু করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, খেলাফত মজলিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এবং কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী শায়খুল হাদিস মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,খেলাফত মজলিসের জেলা  সহ সভাপতি আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন খান, সহ সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এমদাদুল্লাহ্, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন, কিশোরগঞ্জ শহর শাখার সভাপতি প্রভাষক হাফেজ মাওলান আতাউর রহমান শাহান, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা শরীফুল ইসলাম ফরহাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
 খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর পৈতৃক নিবাস কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী গ্রামে। যদিও তাঁর কর্মজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঢাকায়। দাওয়াতি কার্যক্রম, শিক্ষা কার্যক্রম এবং মিডিয়া কেন্দ্রীক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে। তবুও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বরাবরই গভীর ও আবেগপূর্ণ।
যশোদল ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মতে, এলাকার সন্তান হিসেবে তাঁকে দলমত নির্বিশেষ জাতীয় সংসদে পাঠাতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি কাজ করছে তা হচ্ছে, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর বড় ছেলে আবু হানিফা নুমান ২০১৩ সালে ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক গুমের শিকার হন। আজও তার খোঁজ মেলেনি। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিদায়ের পর ছেলেকে পাওয়ার আকুতি নিয়ে দিনের পর দিন আইনা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রিয় সন্তানের মুখটি দেখতে পাননি।
এছাড়াও তিনি ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনে সামনের সারীতে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ৫ই মে শাপলা চত্বরে বিভীষিকাময় রাতে প্রচন্ড নির্যাতন, নিপীড়নের শিকার হয়েও সেখানে ফজর পর্যন্ত অবস্থান করা এবং ২০১৪ এর ২৪ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ এর ২০ মে পর্যন্ত কারা বরণ করা ও রাষ্ট্রীয় জুলুমের শিকার হয়ে বহুবার কারা নির্যাতনের শিকার হওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মাঝে কাজ করছে।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-১ আসনটি ঐতিহাসিকভাবে আলেম-উলামাদের প্রতিনিধিত্বে সমৃদ্ধ। এই আসন থেকে এক সময় মাওলানা আতাহার আলী (রহ.) এবং মাওলানা আতাউর রহমান খান (রহ.) জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় আবারও একজন শিক্ষিত, গ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বশীল আলেমকে সংসদে দেখতে চান ধর্মপ্রাণ ও সচেতন ভোটাররা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যদি বাস্তবভিত্তিক ঐক্য ও সমঝোতা গড়ে ওঠে, তবে মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী কিশোরগঞ্জ-১ আসনে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবেন। তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি এবং দ্বীনি ও সামাজিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে একটি সম্ভাবনাময় ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসেবে সামনে নিয়ে এসেছে।