insert-headers-and-footers domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/pratidinsangbad2/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার আওয়ামী লীগের কয়েক কর্মীর বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনায় চারদিন পার হয়ে গেলেও থানার পুলিশ মামলা নেয়নি বলে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।
আহত মো: মোবারক হোসেন (৪৬)
মাথায় গুরুতর জখম নিয়ে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। হামলাকারী
মোঃ শাওন, সোলমান ও এখলাছ উদ্দিন আওয়ামী লীগের কর্মী ও এলাকার প্রভাবশালী বলে জানা গেছে।
আহত মোবারকের বড় ভাই মনির উদ্দিন অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের প্রভাবে পুলিশ মামলা না নিয়ে এখন উল্টো তাদের শাসাচ্ছে।
অবশ্য নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
হামলার শিকার মোবারক হোসেনের স্ত্রী লিজা আক্তার জানান, তার স্বামীর উপজেলার মজলিশপুর বাজারের ভূঁইয়া সুপারমার্কেটে সেলাই মেশিন ও গ্যাসের চুলা মেরামতের একটিদোকান আছে। মজলিশপুর বড়হাটির আওয়ামী লীগ কর্মী মোঃ শাওন প্রায় সময়ই দোকান থেকে জিনিসপত্র মেরামত করে নিয়ে টাকা দেয় না। ২১ জানুয়ারি (বুধবার) একটি সেলাই মেশিন মেরামত করিয়ে নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। টাকা চাইতে গেলে বাক-বিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যায় শাওন তার সাঙ্গোপাঙ্গদের নিয়ে দোকানে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এ সময় তার স্বামীকে বেধড়ক পেটানো হয়। পরে ধারালো দা দিয়ে মাথার বাম পাশে কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।
মোবারকের আরেক বড় ভাই নজরুল ইসলামের অভিযোগ, তার ভাইকে হাসপাতালে নেয়ার পথেও আওয়ামী লীগ কর্মীরা বাধা দেয়। স্থানীয়রা তাকে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এখন হাসপাতালে গিয়েও আওয়ামী লীগের কর্মীরা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে গতকাল রোববার দুপুরে আহতের বড় ভাই মনির উদ্দিন কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। জেলা শহরের গৌরাঙ্গবাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, হামলার ঘটনায় তার আহত ভাই নিজে বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ পাঠিয়েছেন। তিনি (মনির উদ্দিন) একাধিকবার মামলা নেয়ার জন্য অনুরোধ করতে থানায় গিয়েছেন। কিন্তু মামলা নেয়া তো দূরের কথা, পুলিশ তাদের পাত্তাই দিচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনির উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন মনির উদ্দিনের বন্ধু বুলবুল আহমেদ ও আত্মীয় শফিকুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, 'মামলা নেব না এ কথা আমি কোনো সময়ই বলি নাই। ঘটনার পরপরই আমি পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার পরদিন আহতের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয় কিন্তু পরে তারা আর থানায় এসে যোগাযোগ করেনি। এছাড়াও থানায় আমাদের মাত্র দুইজন কর্মকর্তা আছেন। থানায় অনেক মামলা আছে, এগুলো নিয়েই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। তাই আমি আমি বাদী পক্ষকে বলেছিলাম একটু ধৈর্য ধরতে। আগামী ৩১ তারিখ মামলা নেব বলে জানিয়েছিলাম। ওরা (বাদী পক্ষ) বিষয়টা মানছেন না।