আজ ৩রা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাজনৈতিক দলের প্রতি মানুষ আস্থা আনতে পারছে না: সুজন

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) উদ্যোগে রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘সমঝোতা নাকি সহিংসতা: কোন পথে আমরা?’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমরা গত ৫২ বছরে কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠিত পারিনি। যদিও আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের জন্য। গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত হলো সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। এখন আবার সামনে নির্বাচন আসছে। দুই দলই নির্বাচনী সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যার যার অবস্থানে অনড়। বিরোধের জায়গা জিরো সামাগমে পরিণত হয়েছে। এখন চিন্তা করা দরকার সার্বিক সমাধানের। যাতে সবার জন্য উইন উইন পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো সবাই ক্ষমতায় যেতে বড়, তারা অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না। দুই পক্ষের কেউই সমঝোতায় যেতে যায় না। তারা চায় কেবল তাদেরটাই হোক। বাংলাদেশ এখন সুপার পাওয়ারের লড়াই চলছে। এর পরিণতি দেশকে কোথায় নিয়ে যাবে কেউ বলতে পারে না। এরক অবস্থায় রাজনীতিবিদদেরকেই দেশের রাজনীতি ঠিক করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমার মনে হয় বর্তমান পরিস্থিতে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে নির্দেশনা পাঠাতে পারে। দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে করে ঠিক করুক কোন পদ্ধতিতে তারা নির্বাচন করবে। এরপর তা কমিশনকে জানাক, কমিশন সে অনুযায়ী নির্বাচন করবে।

সাবেক নির্বাচন কশিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন আরপিওর ৯১ ধারা সংশোধন করে নিজের ক্ষমতা সরকারের হাতে তুলে দিল। কেন এটা করল জানি না। আরেকটা বিষয় দেখা যায়, জাতীয় নির্বাচনের আগে মাশরুমের মতো রাজনৈতিক দল গজানো শুরু করে। জাতীয় সনদের মধ্যে পলিটিকাল পার্টি অ্যাক্ট করার বিষয়টি যুক্ত করা যেতে পারে। রাজনৈতিক দলগলো কী করতে পারবে কী করতে পারবে না তা এ আইনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

Comments are closed.

     এই ক্যাটাগরিতে আরো সংবাদ