
নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যতিক্রমী কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষকে সড়ক নিরাপত্তায় উদ্বুদ্ধকরণে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ভৈরব শাখাকে ‘জাহানারা কাঞ্চন স্মৃতি পদক’ প্রদান করা হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট, শুক্রবার, রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর ১১তম জাতীয় মহাসমাবেশে ভৈরব শাখার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন নিসচার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিরাজুল মঈন জয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
দীর্ঘদিন ধরে নিসচা ভৈরব শাখা সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি, চালক ও পথচারীদের সচেতন করা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবেই ভৈরব শাখাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, নিসচা ভৈরব শাখার জাতীয় পর্যায়ে এটি প্রথম কোনো সম্মাননা নয়। এর আগেও ভৈরব শাখা জাতীয় পর্যায়ে ‘সেরা সংগঠন’ হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য দেশসেরা ‘সড়কযোদ্ধা’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে জাতীয় পর্যায়ে এসব স্বীকৃতি অর্জন ভৈরব শাখার সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের সফলতা ও কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিসচা ভৈরব শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আলাল উদ্দিন বলেন, “জাহানারা কাঞ্চন স্মৃতি পদক ভৈরব শাখার জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের একটি অর্জন। এ সম্মাননা আমাদের সকল সদস্যের দীর্ঘদিনের শ্রম, ত্যাগ ও আন্তরিকতার স্বীকৃতি। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সেরা সংগঠনের পুরস্কার এবং আমাদের সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্যের দেশসেরা সড়কযোদ্ধা সম্মাননা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “এসব সম্মাননা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না; চালক, পথচারী, শিক্ষার্থী, পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। নিসচা ভৈরব শাখা ভবিষ্যতেও জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকর ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।”
তিনি এ সম্মাননার জন্য নিরাপদ সড়ক চাই-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, ভৈরব শাখার সকল কার্যনির্বাহী ও সাধারণ সদস্য, উপদেষ্টা, পৃষ্ঠপোষক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
নিসচা ভৈরব শাখার নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ধারাবাহিকভাবে জাতীয় পর্যায়ে অর্জিত এসব সম্মাননা ভৈরবের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের জন্য যেমন গৌরবের, তেমনি আগামী দিনের কার্যক্রমের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা।
‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নিসচা ভৈরব শাখার নেতৃবৃন্দ।
এটাই আমার মতে আপনার সংবাদটির সবচেয়ে পরিপাটি চূড়ান্ত সংস্করণ। এতে আপনার বক্তব্যও যথাযথভাবে এসেছে এবং ভৈরব শাখার ধারাবাহিক জাতীয় অর্জনটিও গুরুত্ব পেয়েছে।
