
নিজস্ব প্রতিবেদক : পাকুন্দিয়ার মহাসড়কে ক্রমবর্ধমান দুর্ঘটনা, বেপরোয়া গতি ও যানবাহনের অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি এখন সময়ের দাবি।
নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার কার্যকরী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুর রহমান এর নেতৃত্বে সড়ক দুর্ঘটনার হ্রাসে উদ্যোগ গ্রহণ নেন। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগ, নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো এবং চালকদের সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি মনে করি।
পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক সময় চালকের অসতর্কতা ও অতিরিক্ত গতির কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি পথচারীদের অসচেতনতা, রাস্তার পাশে অবৈধভাবে যানবাহন দাঁড় করানো এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার অভাব পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।
নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিবহন শ্রমিক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নির্ধারিত গতিসীমা বজায় রাখা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা এবং পথচারীদের রাস্তা পারাপারে সতর্ক থাকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ শুধু প্রশাসনের একার দায়িত্ব নয়; এর জন্য চালক, পথচারী, যাত্রী ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। “নিরাপদ সড়ক চাই” আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও কঠোরভাবে সড়ক আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাকুন্দিয়াসহ সারা দেশে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সম্ভব।
একটি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থাকলে নিয়মিতভাবে বেশ কিছু মনিটরিং করা যাবেঃ
• যানবাহনের গতি ও বেপরোয়া চালনা নিয়ন্ত্রণ
• ট্রাফিক আইন ও সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন
• ফিটনেসবিহীন ও অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ
• লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই
• মহাসড়কে অবৈধ পার্কিং ও যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ
• দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার ও যান চলাচল স্বাভাবিক করা
• যানজট ও সড়কের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
• চালক ও পথচারীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধি
• গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিয়মিত টহল ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
“পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয় “
